মাদ্রাসা ছাত্রের ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা |২০২২|

--------বিশ্বাস করা না করাটা আপনার ব্যাপার----

ঘটনাটি আমাদের পাঠিয়েছেন,

নামঃ ইমন ( সম্পূর্ণ নাম বলতে ইচ্ছুক নয়)।

ঠিকানাঃ গাজীপুর। 


আমাদেরকে যেভাবে পাঠানো হয়েছে ঠিক সেইভাবে প্রকাশ করা হলো। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

আজকের ঘটনাটি  " মাদ্রাসা " কে নিয়ে,,,আশা করি সবার ভালো লাগবে।

এটা একটা ভুতের গল্প সত্য ঘটনা - 



আমি ইমন। আমি গাজীপুরে থাকি। ঘটনাটা আমার সাথে ঘটে যাওয়া ভুতের গল্প সত্য ঘটনা। ঘটনাটি ২০১৪ সালে ঘটে যাওয়া একটা ঘটনা।  আমি তখন মাদ্রাসায় পড়তাম। খুব ছোট থেকেই মাদ্রাসায় পড়েছি। আমার সাথে ঘটনাটা যখন ঘটে তখন আমি চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার আগে একটু  মাদ্রাসাটার বর্ণনা দিতে চাই।  মাদ্র‍াসার নাম বলছি না। আমাদের মাদ্রাসা ৭ তলা একটা বিল্ডিং ছিল। আমি থাকতাম ৩য় তলায় একটা ফ্ল্যাটে। সেই  ফ্ল্যাটে তিনটি রুম ছিল। তার মধ্যে  একটি রুমে আমি থাকতাম। আমি যেই রুমে থাকতাম সেই রুমে ৩ জনের থাকার ব্যবস্থা ছিল।

মাদ্রাসা ছাত্রের ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা |২০২২|

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আমাদের রুমের সাথে একটা বারান্দা ছিল। বারান্দার সাথেই এক তলা একটা বিল্ডিং ছিল। তখন বিল্ডিংটির কাজ চলছিল। বিল্ডিংটি ২য় তলা কাজ শেষ হয়ে ৩য় তলায় কাজ চলছে।  ঘটনা যখন ঘটতে শুরু হয় আমাদের সাথে,  তখন বিল্ডিংটির অবস্থাটা এমন ছিল চতুর্থ তলায় ছাদ ঢালাই হয়েছে। তাই ৩য় তলায় বাশ লাগানো ছিল। আমাদের রুমে  তখন আমি সহ আরও দুজন থাকতাম। তার মধ্যে একটি  ছেলের নাম গালিব। ছেলেটি আমার চেয়েও ছোট ছিল। তখন আমি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ি আর ছেলেটি সম্ভবত প্রথম শ্রেণিতে পড়ত। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আরও একজন ছিল সেই ছেলেটি আমাদের মাদ্রাসায় নতুন ছিল। ছেলেটির নাম  ঠিক করে বলতে পারছি না।  এখন মূল ঘটনায় যাই তখন শীতকাল ছিল। আমরা রুমে যথারীতি ৩জনেই ছিলাম। একদিন রাতে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়।  রাত তখন আনুমানিক ১টা থেকে ৩টা হবে।  তারপর  আর অনেক চেষ্টা করেও আমি ঘুমাতে পারিনি। কিছুক্ষণ পর মনে হলো এতো রাতে বারান্দার পাশে থাকা বিল্ডিংয়ের ৩য় তলায় কাজ চলছিল। কাজ করার  শব্দ গুলো অনেকটা বাঁশ খুলার শব্দ ছিল। আমি ভাবলাম এতো রাতে কে কাজ করেছে? অনেকটা অবাকি হলাম। সেই রাতে আর কিছুই হয়নি আমার সাথে। পরেরদিন, দিনের বেলায় যখন বারান্দায় গেলাম অনেকটা অবাকি হলাম। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


কারণ গতকাল রাতে অনেক বাঁশ খুলার শব্দ পেয়েছি তাই  স্বাভাবিক ভাবেই  বাঁশ খুলা থাকার কথা ছিল। কিন্তু  তাজ্জব বিষয় কোনো বাঁশ খুলা হয়নি। সেইদিন  রাতেও  ঠিক একই ভাবে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। আগের রাতের মতোই আর চেষ্টা করেও ঘুমাতে পারিনি।  কিছুক্ষণ পরে  বারান্দার পাশের বিল্ডিং থেকে  আগের রাতের মতোই বাঁশ খুলার শব্দ হচ্ছিল। শব্দটা আস্তে আস্তে মনে হচ্ছে আমাদের বারান্দার খুব কাছে থেকেই হচ্ছে। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আমি অনেকটা ভয় পাই তখন। এমনকি ভয়ে আমার হাত পা নড়াচড়া করানোর মতো সাহস আমি পাচ্ছিলাম না। কিছুক্ষণ পরে শব্দটা আস্তে আস্তে কোথায় যেন হারিয়ে গেল আর শুনতে পেলাম না। কিছুক্ষণ  পরে আরও একটা শব্দ শুনতে পাই। শব্দটা হলো যারা সিমেন্টের কাজ করে তারা সিমেন্ট মিক্সিং করে সিমেন্ট তোলার জন্য বেলছার মতো একটা জিনিষ ব্যবহার করে থাকে। বেলছা দিয়ে যখন সিমেন্ট কড়াইয়ে তোলা হয় তখন একধরনের শব্দ হয় কেক কেক  এরকম অনেকটা শব্দ শুনতে পাই। তাজ্জব বিষয় শুধু কাজ করার শব্দই হতো কোনো রকম কথা বার্তা বলার শব্দ হতো না। আপনারা অনেকে জানেন অথবা দেখেছেন  যখন মিস্তিরা কাজ করে তখন তাদের মধ্যে অনেক কথা বার্তা হয়। কিন্তু আমি শুধু কাজ করার শব্দ টুকুই পেতাম কোনেরকম কথা বলার শব্দ পাই নি।

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


তখন ভাবতে লাগলাম এতো রাতে মানুষ কাজ করলে অবশ্যই কোনো কথা বার্তা বলতে শুনতাম। তাছাড়াও বাশঁ খুলার শব্দ হলেও  দিনে বাঁশ  খুলার কোনো প্রমাণ দেখতে পাই নি। তখন  বুঝতে পারি বিষয়টা স্বাভাবিক না। সেইদিন রাতটা ভয়ে ভয়ে কাটানোর পর কাওকে কিছুই বলিনি আমি। কারণ রুমের সবার বড় আমি এখন এসব ঘটনা তাদেরকে  বললে তারা ভয় পাবে। তখন রুমে থাকতে চাবে না তাই কাওকে কিছুই বলিনি আমি।  দিনের বেলায় আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখতে থাকি রাতে কাজ করার কোনো প্রমাণ পাই কিনা। তাজ্জব বিষয় দেখতে পারি কোনো বাঁশ খোলা হয়নি যেহেতু বাঁশ খোলা হয়নি সেহেতু সেখানে সিমেন্টের কাজ করা ইম্পসিবল। ব্যাপার গুলো নিজে নিজেই চিন্তা-ভাবনা করি। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


প্রতিদিন রাতে আমার সাথে  ঠিক একই ঘটনা ঘটতে থাকে। তারমধ্যে একটা জিনিষ লক্ষ্য করলাম আমাদের রুমের গালিব নামে যে ছেলেটি ছিল  সে রাতে আর  মাদ্রাসায় থাকছে না। তার বাসা মাদ্রাসার পাশে থাকায় সে মাদ্রাসায় সারাদিন থেকে রাতে বাসায় চলে যায়। আমার সাথেও ঘটনা গুলো খুব কম ঘটতে শুরু করল।

তার কয়েকদিন পর গালিব আবার রাতে মাদ্রাসায় থাকা শুরু করল। কিন্তু রাতে রুমের লাইট না নিভিয়ে অর্থাৎ লাইট অন রেখে থাকতে শুরু করল। আমাদের মাদ্রাসার নিয়ম ছিল রাত ১০ঃ৪৫ এর পর কোন রুমে লাইট জ্বালানো থাকবে না। তাই আমি গালিব কে জিজ্ঞাসা করলাম লাইট জ্বালানো থাকবে কেন?  গালিব আমায় বলে  ভাইয়া  আমার রাতে অনেক ভয় লাগে। তাই আমার আব্বু  প্র‍িন্সিপাল স্যারকে বলছে আমার রুমের লাইট যেন জ্বালানো থাকে। নতুন ছেলেটি এইসব শুনে অনেক বিরক্ত হয়ে গালিবকে বলল আরে ভাই লাইট বন্ধ করো ঘুম হয় না।

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আমি তখনও বুঝতে পারি নি আমার সাথে প্রতিনিয়ত যে ঘটনা গুলো ঘটছে সেগুলো সবই গালিবের সাথে আগে থেকেই ঘটছে। আবার এক রাতে আমার যখন ঘুম ভাঙ্গলো দেখতে পেলাম গালিব খুব নড়াচড়া করছে। বুঝতে পারলাম গালিবের ঘুম ভেঙ্গে গেছে। আমাদের যখন ঘুম ভাঙ্গে স্বাভাবিক ভাবেই ঘুমানোর জন্য বার বার  ডান কাঁধ বাম কাঁধ হয়ে থাকি। আমিও ঘুমানোর জন্য  বার বার ডান কাঁধ বাম কাঁধ হয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করছি। তার কিছুক্ষণ  পরেই শুনতে পেলাম আমাদের মাদ্রাসার সিঁড়িতে কারো হাঁটার শব্দ। মনে হচ্ছে কেও উপর থেকে নিচে নামছে। যখনি ৩য় তলা এসে নামে তখন আমাদের ফ্ল্যাটের ভিতরে হাঁটার শব্দ শুনতে পাই। আস্তে আস্তে মনে হচ্ছিলো আমাদের রুমের দরজার  সামনে এসে কেও দাড়িয়ে আছে। কিন্তু রুমের ভিতর ঢুকছে না।  

ভয়ে দেখার সাহস হয় নি আমার । আমি কম্বলের ভিতর মাথা  ঢুকিয়ে নড়াচড়া করা বন্ধ করে  দিলাম। তার কিছুক্ষণ পর  শব্দ পেলাম আমাদের রুমের দরজার সামনে থেকে কেও হেঁটে ফ্ল্যাট থেকে বের হয়ে উপরের  সিঁড়িতে উঠছে।

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


তখন আমার অবস্থা খুবই খারাপ। এতোটা ভয় পেয়েছি যে এই প্রচন্ড শীতেও আমার শরীর দিয়ে ঘাম পড়ছে।  সেই  রাতটা ছিল আমার জীবনের সেরা ভয়ংকর রাতের একটি। পরেরদিন সকালে   গালিব নিজে থেকেই আমায় বলল ভাইয়া তুমি কি রাতে সজাগ ছিলে?  আমি বললাম হ্যাঁ। কেন? গালিব বলল আমার ঘুম ভাঙ্গার পর দেখি তুমি অনেক নড়াচড়া করতেছ। আমি বললাম আমিও তোরে দেখছি তুই নড়াচড়া করতাছস। পরে গালিব নিজে থেকেই সব বলতে শুরু করে রাতের ওর সাথে ঘটা ঘটনা। সম্পূর্ণ মিলে যাওয়ায় আমিও আর কিছু গোপন রাখলাম না। গালিব বলল ভাইয়া রাতে ঘুম ভাঙ্গলে আমায় ডাক দিয়ো। আমি আচ্ছা বললাম। সেই দিন রাতে  ঘুম ভাঙ্গার পর দেখলাম  গালিবের ঘুম ভেঙ্গে গেছে। মনে হলো গালিব খুব  ভয় পাচ্ছে। কারণ আমাদের রুমের দরজার সাথেই গালিবের বিছানা। গালিবের মাথার পাশেই দরজা থাকায় গালিবের ভয় বেশি পাওয়াই স্বাভাবিক। 

মাদ্রাসা ছাত্রের ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা |২০২২|


ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আমার বিছানা ছিল দরজার সোজাসোজি অর্থাৎ রুমে কেও ডুকলে সর্বপ্র‍থম আমি দেখতে পাবো। অপর দিকে দরজায় কেও আসলে আমার দিকেই সর্বপ্র‍থম নজর যাবে। আর নতুন যেই ছেলেটা ছিল তার বিছানাটা ছিল বারান্দার জানালার পাশেই। তখন গালিব বুঝতে পারে আমার ঘুম ভেঙ্গে গেছে তাই আমার নাম ধরে ফিসফিস করে ডাকতে  থাকে। আমি থাকে হাত দিয়ে চুপ থাকার ইশারা দিলে সে চুপ থাকে। অপরদিকে সেই শব্দ টা খুব কাছে আসছে। মনে হলো উপর থেকে নিচে  কেও নেমে  আমাদের ফ্ল্যাটে ডুকে আমাদের রুমের দিকে হেঁটে আসছে। স্পষ্ট ভাবে দুজনেই পায়ের শব্দটা শুনতে পেলাম। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আমি ভয়ে মুখটা কম্বলের ভিতরে ঢুকালাম। গালিবো খুব তাড়াতাড়ি করে লেপের ভিতর মুখ টা ঢুকালো। দুজনেই এমন ভাবে শুয়ে রইলাম যে কেও দেখে ভাববে আমরা ঘুমাচ্ছি। তার কিছুক্ষণ পর  আনুমানিক ১০-১৫ সেকেন্ড পর মনে হলো আমাদের রুমের দরজার সামনে থেকে কেও হেঁটে  চলে যাচ্ছে। সেই দিন দুজনের কেও আর মাথা বের করার সাহস পাই নি। পরেরদিন নতুন ছেলেটিকে আমি জিজ্ঞাসা করলাম সে বলল ভাই আমি কোন শব্দ পাই নি। আমার ঘুমতো ভাঙ্গে না রাতে ।  আমি বুঝতে পারলাম আমার আর গালিবের সাথেই এসব ঘটছে শুধু।  সেই দিন রাতে ঘুম ভাঙ্গার পর খেয়াল করলাম আমার আগেই ঘুম থেকে  গালিব উঠে গেছে।  যখন হাঁটার  শব্দ পাই  অর্থাৎ উপর থেকে নিচে নামার শব্দ পাই তখন দুজনেই মাথা কম্বলের ভিতর ঢুকিয়ে রাখি ভয়ে। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


আমার বিছানা দরজার সোজাসোজি  হওয়ায় আমি অনেক সাহস করলাম আজ দেখব কে হাঁটে প্রতিদিন রাতে এভাবে। তখন ঠিক করলাম কম্বলের ভিতর দিয়ে খুব অল্প জায়গা করে দেখব। আমি সব প্রস্তুতি নিলাম অতঃপর যখন আমাদের রুমের সামনে এসে দাড়ালো আমার হার্টবিট তখন ভয়ে অনেক কাঁপতে লাগল। তখন দেখলাম নিচের অংশ টুকু শুধু কালো কাপড় পড়া অর্থাৎ  কোনো মহিলা কালো বোরকা পড়লে নিচের অংশ টুকু যেমন শুধু কালো দেখায় ঠিক তেমনি কালো কাপড় পড়া কিছু দাঁড়িয়ে আছে। আমি কম্বল একটু  তুলে সম্পূর্ণ শরীর যে দেখব সেই সাহস আমার ছিল না।  পরের দিন থেকে আমি আমাদের রুমে
আল কোরআন রাখতে শুরু করি।  আলহামদুলিল্লাহ এরপর আমাদের সাথে আর কিছু হয় নি। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


এরপর কয়েকদিন পরেই আমি ওই রুমটা Change  করি। আমি এই ঘটনাটা আমাদের ফ্ল্যাটের সবার সাথে শেয়ার করি। অনেকে আমায় বলে তাদের কারও কারও সাথে সাথে এরকম ছোট ছোট অনেক কিছু ঘটেছে। তার মধ্যে  দুজনের মুখে শুনা একটি ঘটনা, একবার  বৃহস্পতিবার রাতে ওই ফ্ল্যাটের সবাই বাসায় চলে যায়। কারণ শুক্রবার মাদ্রাসা বন্ধ থাকে। ওই ফ্ল্যাটে শুধু মাএ দুজন ছিল। এক রুমে একজন আর অন্য রুমে আরেকজন ছিল। মাদ্রাসার নিয়ম কেও রাতে রুমে একা থাকতে পারবে না। রাতে কমপক্ষে দুজন এক রুমে থাকতেই হবে। তাই তারা দুজন রাতে একসাথে এক রুমে থাকবে ঠিক করল। তাই তারা ওই ফ্ল্যাটের প্রথম রুমটায়  থাকবে ঠিক করল। রাত আনুমানিক ১১টা বাজে তারা দুজনেই  গল্প করছে। দুজনেই  ঠিক শুনতে পেল বাথরুমের কল দিয়ে পানি পড়ছে। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


তারা ব্যাপারটা স্বাভাবিক ভাবেই নিলো। ভাবলো হয়তো পানি ছিল না কেও কল ছেড়ে চলে এসেছে তাই পানি এখন পড়তাছে। তারা দুজনেই উঠল এবং এক জন যেয়ে কল টা  বন্ধ করল। দুজনেই এসে বিছানায় শুয়ে গল্প করছে। কিছুক্ষণ  পর শুনতে পায় আবার কল দিয়ে পানি পড়ছে। তখন এক জন আরেক জনকে বলল ফ্ল্যাটে কাওকে ঢুকতে দেখেছিস?  সে বলল না। আবার দুজনেই উঠে বন্ধ করে দিয়ে আসল।  আবার দুজনেই এসে শুয়ে পড়ল। তার মধ্যে একজন ঘুমিয়ে গেছে,  আরেকজন সজাগ। যে সজাগ ছিল তার বিছানা থেকে ফ্ল্যাটে কেও ঢুকলে দেখা যায়। সেই ছেলেটি শুনতে পায় আবার কল দিয়ে পানি পড়ার শব্দ। সে তখন ভাবে ফ্ল্যাটে কেও ঢুকলে আমি অবশ্যই দেখতাম কেও ঢুকে নি কিন্তু বাথরুমের কল দিয়ে পানি পড়ছে। তখন সে ভয় পেয়ে আর উঠে নি। 

ভুতের গল্প সত্য ঘটনা


এই ছিল আমার সাথে ঘটে যাওয়া  ভুতের গল্প সত্য ঘটনা। ঘটনাটি ভালো লাগলে Bhoot Club এর সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। 


আপনি চাইলে Bhoot Club ওয়েবসাইটে আপনার সাথে ঘটে থাকা কিংবা আপনার আশে পাশে কারো সাথে ঘটে থাকা ভৌতিক ঘটনা গুলো আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন। ইমেইলঃ bhootclubbhoot@gmail.com

( ঘটনাটি আপনাদের কেমন লাগলো আমাদের  কমেন্ট করে জানান। আর বেশি বেশি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন। আপনাদের করা কমেন্ট, শেয়ার আমাদের পরবর্তী গল্প প্রকাশে অনুপ্রেরণা দেবে,,, সবাইকে ধন্যবাদ। )


আরো পড়ুনঃ বাস ড্রাইভারের ভয়ংকর ভুতের গল্প সত্য ঘটনা |২০২২|

স্কুল ছাত্রীর ভয়ংকর ভুতের গল্প |২০২২| 

Post a Comment

Previous Post Next Post