স্কুল ছাত্রীর ভয়ংকর ভুতের গল্প |২০২২|

 -----বিশ্বাস করা না করাটা আপনার ব্যাপার----

ভুতের গল্প

ঘটনাটি আমাদের পাঠিয়েছেন,

নামঃ ফারিহা প্র‍ভা

ঠিকানাঃ খিলগাঁও,ঢাকা 

আজকের ঘটনাটি  " বেশ অদ্ভুত ভুতের গল্প সত্য ঘটনা" ,,,আশা করি সবার ভালো লাগবে।

আমাদেরকে যেভাবে পাঠানো হয়েছে ঠিক সেইভাবে প্রকাশ করা হলো। ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

ভুতের গল্প


ঘটনাটি শুরু হয় আমার মা-র কাছ থেকে। আমার মা তখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। আমার মা এবং আমার নানারা সকলে গাজীপুরে থাকতেন। আমার মা-কে তাই প্রায় বাসে করে  জার্নি করে ক্লাস করতে হতো। আমার মা-র বিয়ের পরে আমার বাবা প্রায় সময় বাসায় এগিয়ে দিয়ে আসতো। কিন্তু একদিন কোন এক কারণে আমার বাবা আমার মা-র সাথে গাজীপুরে যেতে পারলেন না, তাই আমার মা একাই তার বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলেন।


আমার মা তখন গর্ভবতী ছিলেন। রাত অনেক বেশি হয়ে গিয়েছিল তাই  আমার মা প্রতিদিন যে রাস্তা দিয়ে বাড়িতে যান সে রাস্তা দিয়ে না গিয়ে অন্য একটি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন,পথে কি হয়েছিল তা আমার মা কিছু খেয়াল করেন নি। কিন্তু সকাল বেলা আমার মা- কে অজ্ঞান অবস্থায় পান মসজিদের ইমাম সাহেব,পরে তাকে  বাসায় দিয়ে আসেন।

স্কুল ছাত্রীর ভয়ংকর ভুতের গল্প |২০২২|


ভুতের গল্প

আমার নানু, নানা এবং সবাই খুব চিন্তায় পড়ে যান। তার কিছুদিন পর যানতে পারেন আমার মা-র বাচ্চাটি নস্ট হয়ে গেছে। এরপর থেকে আমার মা মানসিক ভাবে অনেক আহত হয়ে পড়েন এবং পর পর ৪টি বাচ্চা এভাবে নস্ট হয়ে যায়। ৬ বছর পার হয়ে যায়,সকলে আমার পরিবার কে বলে আমার মা কখনো আর মা ডাক শুনতে পারবেন না এবং ডক্টরাও তাই বলেন। কিন্তু এক মওলানা সাহেব যিনি সচরাচর জিন তাড়ানোর কাজ করতেন এবং ঝাড় ফুঁক করতেন তিনি আমার মা-র চিকিৎসা করান এবং সবাই বলে আমার মা-র সেফটির জন্য তিনি নাকি জিনদের দিয়ে পাহারায় রাখতেন।

ভুতের গল্প


২০০১ সালে আমার জন্ম হয় এবং আমি পুরোপুরি সুস্থ থাকি কিন্তু আমার মা অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। নিজে নিজে কথা বলেন,নিজেই নিজেকে আঘাত করেন বিভিন্ন ভাবে, নিজের চুল ধরে নিজেই টানাটানি করেন। এছাড়াও অদ্ভুত অদ্ভুত কাজ করতেন। আমাদের এলাকার সবাই আমার মা-কে পাগল বলে ডাকতো এবং নানা ভাবে সবাই আমার মা- কে আঘাত করতো এবং অনেক কিছু বলত। আমি তখন কয়েক মাসের বাচ্চা। আমাকে বড় করেছে আমার খালা। 


আমার মা-র অবস্থা খারাপ হওয়ার কারণে আমার খালা এবং মামা আমাকে নিয়ে আলাদা নিয়ে থাকতো। মা-র  আদর থেকে বঞ্চিত থাকা সত্ত্বেও আমার সেই খালা আমাকে মায়ের আদর দিয়ে বড় করেছেন। 




ছোট বেলা থেকেই আমার একটা বিরাট গুণ ছিল, সেটা হলো আমার  সপ্ন।

ভুতের গল্প


আমি রাতে যেই সপ্ন দেখতাম যেতাই দেখতাম সেটাই সত্যি হতো। শুরুটা ২০০৯ সালে, আমি একা একা ঘুরে বেড়াতে অনেক ভালোবাসতাম তাই প্র‍তিদিন দুপুরে বের হয়ে যেতাম একা একা রাস্তায় এবং মানুষদের বাড়ি ঘরের আশেপাশে হাটাহাটি করতাম। আমাদের এলাকায় বাড়ি ঘর কম ছিল কিন্তু গাছপালা অনেক বেশি ছিল। আমি যখন ক্লাস ফোর এ পড়ি তখন প্রতি রাতেই  ঠিক ১ টার সময় আমার ঘুম ভেঙ্গে যেত এবং আমি আমার রুমের চারটা কোনায় চার রকমের ছায়া দেখতাম। 

ভুতের গল্প


আমি অনেক সাহসী ছিলাম ভয় না পেয়ে নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিয়েছি  এগুলো আমার কল্পনা। পরীক্ষা করার জন্য আমি একদিন ভালো করে লক্ষ করে দেখলাম সেই ছায়া গুলি হাঁটাহাটি করে এবং একজন অপরজনের সাথে কথা বলে। তারা কথা বলছে আমি স্পষ্ট ভাবে বুঝতে পারছি, কিন্তু কি বলছে সেটা বুঝতে পারছি না। একদিন রাতে দেখি জানালার উপরে উঠে কে যেনো আমায়   লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছে একটু পর পর। যেই মাএ আমি  উঠতে গিয়েছি তখনি তা অদির্শ্য হয়ে গেল। আরেকদিন বিকেল বেলা  আমি রাস্তা দিয়ে হাটছিলাম তখন আমি দূর থেকে  লক্ষ করি একটি বাসার পিছনে দুটি ছায়া, একটি মা তার বাচ্চা কে আদর করছে এবং কোলে নিয়ে খেলছে। প্রথমে ছায়াটি কালো ছিল তখন আমি যতই সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলাম তখন ছায়াটি কালো থেকে নীল এবং হলুদ  মানে বিভিন্ন রং ধারণ করছিল।

ভুতের গল্প


যেই আমি অনেক কাছে এগিয়ে আসলাম তখনি ছায়াটি সাদা রং হয়ে উধাও হয়ে গেল। এই ব্যাপারে আমি আমার একজন আন্টির সাথে কথা বললাম। আন্টি ১০-১২ বছর ধরে বাচ্চাদের আরবি পড়ান, ভাবলাম আন্টির এই বিষয়ে ধারণা আছে। আন্টি আমাকে বললেন তুমি যেহেতু ছায়া দেখ এবং তাদের পরশ পর কথা বলতে দেখ তোমার কাজ তাদের সাথে কথা বলা।

ভুতের গল্প


তুমি একবার চেষ্টা করে দেখতে পার! আমি একদিন রাতের বেলা ঘুমায় নি জেগে ছিলাম তাদের দেখার জন্য। যেই মাএ  তাদের দেখা পেলাম, কাছে গিয়ে জিজ্ঞাস করলাম কে আপনারা আমার কাছে কি চান? কেন আসেন আমার কাছে প্রতিদিন? তারা তখন উধাও হয়ে গেল। এরপর আমি অনেকটা ভয় পেয়ে যাই, আমি আমার নানা,নানু এবং মামা কে বলি কিন্তু  তারা কেও বিশ্বাস করেন না। এরপর আমি যখন আমার খালাকে বলি আমার খালা সব বিশ্বাস করেন। তারপর থেকে প্রতিদিন আমার খালা, আমার সাথেই ঘুমাতেন।




 সব ঠিক হয়ে গেল কিন্তু হঠাৎ করে আমার খালার বিয়ে ঠিক হয়ে যায় এবং আমার খালা গাজীপুরে চলে যায়। এরপর থেকে আমার মামা আমার সাথে ঘুমাত।

ভুতের গল্প


২০১২ সাল রাত কয়টা বাজে তা আমার খেয়াল নেই আমি দেখছি একটি অভোয়ব,পুরো শরীর তার  নীল রং এর পা নেই। চোখ গুলো বড় বড় এবং খয়েরি রং তাও মনি ছাড়া  আমি শুয়ে আছি সে আমার বুকের উপর উঠে বসল এবং আমার গলা চিপ দিয়ে ধরল। আমি অনেক বুকে ব্যাথা পাচ্ছিলাম ,নিঃশ্বাস নিতে পারছিলাম না। খুব জোরে চিৎকার দিতে চাচ্ছিলাম তাও পারছিলাম না। যখন খুব জোরে আল্লাহ নাম  নিলাম তখনি সেই অভোয়ব আমায় ছেড়ে দিল এবং আমি স্পষ্ট দেখছিলাম সেটা আমার রুমের উপরের দেয়াল ভেদ করে হেটে চলছে। এরকম ঘটনা আমার সাথে প্রায় দিন আমার সাথে হতে লাগল। 

ভুতের গল্প


আমি নিজেও অনেক বেশি ডিস্টার্ব হয়ে যাই, সবসময় আমার ভেতর কেমন জানি এক অজানা ভয় কাজ করে। আমি একা কোথাও যেতে পারতাম না! আমার মামার চাকরি হয়ে যায় ঢাকার বাহিরে এবং আমার মামাও আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তখন আমি আমার নানা, নানুর সাথেই থাকতাম। একটা সময় আসে যে আমি রুমে দিনের বেলা একা থাকতেও পারতাম না। এই অবস্থা দেখে আমার নানা আমাকে এক হুজুরের কাছে নিয়ে যান এবং হুজুর বলেন আমি খারাপ কিছু দেখেছি তাই এমন হচ্ছে।

ভুতের গল্প


তিনি এটাও বলেন হয়তো বাহ আমাকে সেইদিন রাতে  আমরা যেটা বলি বোবা জিন তা ধরেছিল। আমি তার কথায় বিশ্বাস করি বলি হতে পারে এমনটাই। আমাকে হুজুর একটা তাবিজ দেন এবং বলেন এটা কখনো না খুলতে।  আবারও সব ঠিক ঠাক। সন্ধা বেলা বাসা ফেরার পর আমার এক বন্ধু আমার কাছে আসে এবং আমার সাথে গল্প করে। তারপর হঠাৎ বলে প্রভা তুই এটা কি পরেছিস? আমি বলি তাবিজ। সে বলে কিসের তাবিজ? আমি কিছু বলি না।  তারপর বলে আমাকে দে তো দেখি কেমন তাবিজ এটা? প্রথমে দিতে না চাইলেও পরে সে আমার গলা থেকে তাবিজটা এতো জোরে টান দেয় যে আমি চিৎকার দিয়ে করে উঠি। গলায় প্রচুর টান খাচ্ছিল তাবিজটা, আমি চিৎকার দিলে আমার এলাকার অনেকেজন এসে  আমার বাসার নিচে হাজির হয় এবং আমাকে জিজ্ঞাস করে কি হয়েছে?

স্কুল ছাত্রীর ভয়ংকর ভুতের গল্প |২০২২|


ভুতের গল্প


কিন্তু আমি নিরপাক! আমার বন্ধু গায়েব, সে নেই। কিছুক্ষণ  চুপ থাকার পরে আমি এলাকার লোকজনকে বলি আমার বন্ধু সা'দ কোথায়? সবাই বলে কেন? সে তো তার নিজের বাসায়। আমি তাকে কেও ডাক দেন পিলিজ কাজ আছে।  তার খবর নেওয়ার পরে জানতে পারি সে তার ঘরে ঘুমাচ্ছে। কেও বুঝতে পারল না কি হয়েছে কিন্তু আমি ততক্ষণে বুঝে গিয়েছিলাম কি হয়েছিল। কেও একজন আমার বন্ধুর বেশে এসে হাজির হয়ে আমার থেকে তাবিজটা ছিনিয়ে নিয়ে আমার ক্ষতি করতে চাচ্ছে, কিন্তু কেন? সেটা কি জিন নাকি অন্য কিছু। আবারও ভয়ে ভয়ে কাটতে লাগল আমার জীবন।

ভুতের গল্প


আমার নানা, নানুরও বয়স হয়ে গিয়েছে তাই তারা আমাকে আমার বাবা মা-র কাছে দিয়ে আসলেন এবং আমাকে বললেন এবার থেকে তুমি সেফ। তুমি তোমার বাবা মা-র কাছে থাকবে। পৃথিবীর সব সন্তান রাই তার বাবা মা-র কাছে সেফ। আমার মা ততোদিনে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে কিন্তু আমি তো এখনও ভয়ের স্বীকার হয়েই যাচ্ছি। আগের মতোই কেও একজন আমার বুকের উপর উঠে বসে এবং আমার গলা চিপ দিয়ে ধরে এবং আমি আমার বাবা মা-কে বললেও কেও বিশ্বাস করেন না! বাসা চেঞ্জ করে ফেলেন।

ভুতের গল্প


২০১৪  সাল রাতে আমি কোচিং থেকে বাসায় ফিরছিলাম কোন একটা ছেলে আমাকে আপু বলে ডাক দেয়, আমি পিছনে থাকালাম এবং একটা ছায়া দেখতে পেলাম ।  ছায়াটি আমাকে হাত দিয়ে তার  কাছে ঈশারায় ডাকছে এবং বার বার আপু বলে ডাকছে। আমি দৌড়ে বাসায় চলে গেলাম, বাসায় তখন কেও থাকে না। আমি আমার রুমে যেয়ে শুয়ে থাকি, ভুল করে আমি আমার বাসার মেইন দরজা আটকাতে ভুলে যাই এবং তা খোলাই থাকে। রুমের ভেতর বার বার সেই বাচ্চা ছেলেটির ডাক আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। 


আমি তখন আমার বাবা মা-র রুমে যাই। অন্ধকারের মধ্যেও কেমন যেন একটা আলো রুমের ভেতর এবং আলোতে স্পষ্ট দেখতে পারছিলাম আমি, কাকে জানি কবর দেওয়া হবে।

 ভুতের গল্প


তার জন্য কবরের মাটি খোড়া হচ্ছে এবং লাশের সামনে একটা বাচ্চা ছেলে খুব জোরে চিৎকার করে কাঁদছে বাবা.. বাবা.. বাবা.. বাবা বলে। লাশটির আশেপাশে অনেক পাঞ্জাবি পড়া লোক সবাই জিকির করছিল। আমি যখনি বাচ্চা ছেলেটির দিকে থাকালাম আমি তখনি দেখতে পেলাম! এইতো সেই ছেলেটি যে আমাকে একটু আগে বার বার আপু বলে ডাকছিল। এটা দেখার পর আমি চিৎকার দিয়ে ফ্লোরে পড়ে যাই এবং চিৎকার শুনে পাশের বাসার লোকেরা আমাকে তুলে নিয়ে আমাকে মাথায় পানি দেয়। আমার বাবা মা-কে ফোন করে আসতে বলে।

ভুতের গল্প


যাইহোক সেইদিন ভয়ে ভয়ে কেটে যায়। এরপরের দিন আমার বাবা মা কাজে বের হয় এবং বাসায় আমি একা থাকি। বারান্দায় বসে থাকি একা হঠাৎ কালো পোশাক পরে কে  যেন উরে আসে এবং এসে আমার হাতটি টান দিয়ে ধরে। যার কারণে আমার হাত বারান্দার গ্রিলের বাহিরে চলে যায় এবং আমি চিৎকার দেই কিন্তু দেখি সেই অভোয়বটি আর নেই। আমার পুরো খেয়াল আছে সেটি কোন মানুষ ছিল না তবে কি ছিল? 

ভুতের গল্প


আকাশে কিভাবে উড়তে পারে? ধরে নিলাম সেটা আমার মনের ভুল কিন্তু মনের ভুল হলে আমার হাতে দাগ কেনো? তাও সেটা কোনো আচরের না এটা কেমন জানি একটা দাগ মনে হচ্ছে লোহা দিয়ে আমার হাত চিপে ধরে রাখা হয়েছিল। বাসায় আসার পর আমি আমার মা-বাবা কে বলি এবং তারা তারপর থেকে আমাকে একা রেখে কোথাও যায় না কিন্তু আজও আমি অনেক আজব আজব অভোয়বের উপস্থিতি তের পাই আমার চারপাশে। এছাড়াও আমি শুরুতেই বলেছিলাম  আমি যেই সপ্নই রাতে দেখি সেইটাই সত্যি হয়। 

ভুতের গল্প


আমি একবার সপ্নে দেখি আমার এলাকার এক আপুর সাথে আমার চাচাতো ভাইয়ের বিয়ে হচ্ছে এবং আমি সবাই কে বললাম  এই সপ্নের ব্যাপারে সবাই শুধু একটু হাসল। তবে ঠিক এক বছর পরে তাদের বিয়ে ঠিক হলো এবং আমার চাইতেও আমার পরিবারের সকলে বেশি অবাক হয়েছিল। এরকম আরও অনেক অদ্ভুত ঘটনা আছে আমার এবং আমার সপ্নের। আজ এতো বছর পার হয়ে গেলো কিন্তু আজও আমি রাতে ফজরের আজানের আগে সপ্ন গুলো দেখি তাই সত্যি হয়।

ভুতের গল্প


আমি জানি অনেক বেশি সময় নিয়ে ফেলেছি এর জন্য  মাফ করে দিবেন এবং কোথাও কোন ভুল হয়ে থাকলে আমাকে ক্ষমার চোখে দেখবেন। আমি আপনাদের সকলের তুলনায় অনেক ছোট কিন্তু এতো কাহিনী হয়ে যাবে আমার এ ছোট জীবনে  কখনো কল্পনা করতে পারিনি। ওই ছায়া গুলো কাদের ছিল? আর ওই বাজে অভোয়ব টা যেটা প্রতিদিন আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করত। আমার থেকে তাবিজ ছিনিয়ে নিয়ে আমার ক্ষতি করতে চেয়েছিল সে কে? আর ওই বাচ্চাটি ছেলেটি? আর ওই কবরটি কার? আমার গল্পটি যদি ভালো লাগে তবে সবার সাথে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো পিলিজ এবং সবাইকে ধন্যবাদ।

স্কুল ছাত্রীর ভয়ংকর ভুতের গল্প |২০২২|


ভুতের গল্প


আপনি চাইলে Bhoot Club ওয়েবসাইটে আপনার সাথে ঘটে থাকা কিংবা আপনার আশে পাশে কারো সাথে ঘটে থাকা ভৌতিক ঘটনা গুলো আমাদের কাছে পাঠাতে পারেন। ইমেইলঃ bhootclubbhoot@gmail.com

ভুতের গল্প


( ঘটনাটি আপনাদের কেমন লাগলো আমাদের  কমেন্ট করে জানান। আর বেশি বেশি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন। আপনাদের করা কমেন্ট, শেয়ার আমাদের পরবর্তী গল্প প্রকাশে অনুপ্রেরণা দেবে,,, সবাইকে ধন্যবাদ। )

ভুতের গল্প



আরো পড়ুনঃ- 


1 Comments

Previous Post Next Post